
ধলাই ডেস্ক: শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর প্রথম ১৫ কার্যদিবস টানা দাম বাড়লেও এখন টানা দরপতনের মধ্যে রয়েছে নতুন তালিকাভুক্ত রবি আজিয়াটার শেয়ার। গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দাম কমার শীর্ষ তালিকায় নাম লেখানো রবির শেয়ার দাম চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই কমেছে। এতে সাত কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম সম্মিলিতভাবে ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি কমে গেছে।
নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ার ছেড়ে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করা রবি গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম দিন থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা ১৫ কার্যদিবস দাম বাড়ে কোম্পানিটির। এর মধ্যে ১৪ কার্যদিবসেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে তারা। এতে ১০ টাকা দামের শেয়ার দেখতে দেখতে ৭০ টাকা ১০ পয়সায় উঠে যায়। এরপরও কোম্পানিটির শেয়ারের ক্রেতা থাকলেও এক প্রকার বিক্রেতা সংকট ছিল।
এ পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও কোম্পানিটির শেয়ার দরপতনের মধ্যে পড়ে। সেই সঙ্গে দেখা দেয় ক্রেতার অভাব। রোববারের ধারাবাহিকতায় সোমবারও বড় দরপতন হয় কোম্পানিটির। এতে চলতি সপ্তাহের দুই কর্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার দাম কমেছে ৭ টাকা।
এর মাধ্যমে শেষ সাত কার্যদিবসে রবির একটি শেয়ারে দাম কমেছে ১৫ টাকা ৪০ পয়সা। এতে সম্মিলিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমেছে ৮ হাজার ৬৬ কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এভাবে দরপতনের পর এখন কোম্পানিটির শেয়ারের এক প্রকার ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।
অথচ এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্কও করা হয়। এ বিষয়ে ডিএসই থেকে বলা হয়, রবির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণে ৪ জানুয়ারি কোম্পানিটিকে নোটিশ করা হয়। জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে- সম্প্রতি শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদশীল তথ্য নেই।