আরো ৩ স্যাটেলাইটের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: 5:41 PM, July 24, 2020
ফাইল ছবি

ধলাই ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণের পর ২০২৯ সালের মধ্যে আরো ৩টি স্যাটেলাইট প্রেরণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সূত্রে জানা গেছে, এ তিনটি স্যাটেলাইট ধারাবাহিকভাবে ২০২৩ সালে ২য়, ২০২৭ সালে ৩য় এবং ২০২৯ সালে ৪র্থ স্যাটেলাইটটি পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এরইমধ্যে বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের ডিজাইন এবং উৎক্ষেপণসহ কারিগরি সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেইন মেরিন সূক্ষ্ম। ২০২০ সালের নভেম্বরে ফ্রান্স রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকার প্রধানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রস্তাবনা দেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ২০২৩ সাল নাগাদ ২য় স্যাটেলাইট প্রেরণে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ চায় তার ২য় স্যাটেলাইট যেন অবশ্যই নিজস্ব কক্ষপথে থাকে, এতে স্যাটেলাইটটির মালিকানা বাংলাদেশের হাতে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এরইমধ্যে বিভিন্ন দেশে থেকে ২য় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ব্যাপারে প্রস্তাব পেয়েছে। আমরা চাই আমাদের পরবর্তী স্যাটেলাইটটি অবশ্যই আমাদের ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী কাছাকাছি থাকে।

আগামী ৬ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে এরইমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড পরিকল্পনা এবং বাজেট নির্ণয়ে কাজ শুরু করেছে।

পাশাপাশি বাংলাদেশের ২য় স্যাটেলাইট তৈরি রক্ষণাবেক্ষণ এবং উৎক্ষেপণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়াভিত্তিক স্পেস রিসার্চ সংস্থা গ্লাভকস্মস কোম্পানি। এই লক্ষ্যে ২০১৯ সালের অক্টোবরে কোম্পানিটির ডেপুটি ডিরেক্টর ভিতালি সেভেনভ ছয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার দল নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। সে সময় বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে স্যাটেলাইট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেন।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত বলেন, রাশিয়া এরইমধ্যে বাংলাদেশকে তাদের একটি স্লট ভাড়া দিয়েছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় রাশিয়া আরো স্লট দিতে প্রস্তুত। সেইসঙ্গে বাংলাদেশকে চাহিদা অনুসারে যেকোনো ধরনের স্যাটেলাইট প্রেরণ করতে সক্ষম রাশিয়া।

মহাকাশে এরইমধ্যে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ এখন স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ৯ বছরের মধ্যেই স্যাটেলাইটটি লাভের মুখ দেখতে শুরু করবে।

সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ…