মৌলভীবাজার-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর ব্যস্ত নির্বাচনী প্রচারণা

প্রকাশিত: ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

ধলাই ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

গত ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই তিনি নগরী ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা, আলোচনা সভা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। একইসঙ্গে সকাল থেকে মাইকিং, পোস্টার-ফেস্টুন ও লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে ধানের শীষের প্রার্থী ও তাঁর নেতাকর্মীদের। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন তারা।

নির্বাচনী এই ব্যস্ততায় শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রতিদিনই বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের প্রচারণা, গণসংযোগ, মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলেও প্রচারণার চিত্র ভিন্ন নয়। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তুলে ধরছেন নিজেদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সক্রিয় প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন প্রার্থীরা।

শুধু প্রার্থীরাই নয়, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এখন নির্বাচনী আলোচনা মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। দোকান-পাট, চায়ের দোকান, বসার স্থান ও আড্ডাস্থলগুলোতে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, মৌলভীবাজারের আসনগুলোতে ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ।

এ বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার শুরু হয়েছে। মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়, মানুষ উন্নয়ন চায়। আমরা আর পেছনে ফিরে যেতে চাই না,মৌলভীবাজারক-৪কে উন্নত (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) গড়তে চাই। সম্ভবনাময় এই দুই উপজেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চাই। এজন্য আপনাদের সম্মানিত ভোটারদের সমর্থন প্রয়োজন। ধানের শীষে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থণা করি।’

তিনি বলেন, “আমরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মাবলম্বী মানুষকে নিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই। এই দেশে আর কোনো ধর্মীয় সংখ্যালঘুর ওপর অত্যাচার ও জুলুম চলবে না। কোনো মেহনতি মানুষের ওপর খবরদারি থাকবে না, ব্যবসা কিংবা ঘর নির্মাণের জন্য কাউকে চাঁদা দিতে হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “পর্যটন এলাকায় যেভাবে উন্নয়ন দরকার ছিল, তা বিগত সরকার করেনি। আমরা এসব বিষয়ে কাজ করবো। উন্নয়নের কোনো ঘাটতি থাকবে না। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। চা বাগানের শ্রমিক, খাসিয়া জনগোষ্ঠীসহ সকল নৃ-গোষ্ঠীর জন্য কাজ করবো। তারা আমার কাছে যা প্রত্যাশা করে, ইনশাহ আল্লাহ তা পূরণ করবো।”