কমলগঞ্জে ২৫ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের ভরসা বাঁশের সাঁকো

প্রকাশিত: 2:37 PM, January 27, 2020
ছবি ধলাইর ডাক

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ পৌরসভাধীন ও সদর ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগের জন্য ধলাই নদীতে সেতুর অভাবে ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের হাজারো মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হচ্ছে বাঁশের সাঁকো। বাঁশের তৈরি সাঁকোর উপর দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র সহ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা গর্ভবতী মহিলা অসুস্থ রোগী যাতায়াত করে।

কমলগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড করিমপুর গোপালনগর খেয়াঘাট হয়ে সদর ইউনিয়নের সাথে এই সড়কের যোগাযোগ। মধ্য জায়গায় বড় বাঁধা হচ্ছে ধলাই নদী। রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকটে এই বাঁশের সাঁকোটি অবস্থান। যার ফলে ইউনিয়ন হতে পৌরসভায় এবং পৌরসভা হতে ইউনিয়নে যেতে হলে এ সাঁকো ব্যবহার ছাড়া পৌঁছা সম্ভব নয়। এছাড়াও মৌলভীবাজার সদর শহরে লোকজন পৌঁছাতে হলে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে। সরই বাড়ী, রামপুর, রামপাশা, ছাইয়াখালি, চৈতন্যগঞ্জ, নারায়ণপুর, বনগাঁও, বাদে উবাহাটা গ্রামগুলো ছাড়া আরো ১০ থেকে ২০ টি গ্রামের লোকজন এ সাঁকোটি ব্যবহার করেন।

স্থানীয়রা জানান,দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে খেয়াঘাটে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও দাবিটি বার বারই উপেক্ষিত। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, গত সংসদ নির্বাচনে এই অঞ্চলের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি এলাকাবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আবার নৌকা মার্কা জয়যুক্ত হলে উক্ত স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে এলাকাবাসীর যাতায়াতের সুবিধার্থে। কিন্তু এবারও যেন তা উপেক্ষিতই হচ্ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা বাসিন্দাদের সাথে আলাপ করলে তারা আরো জানান, বাজারের সদাই দোকানির মাল কৃষি যন্ত্রপাতি পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হয়। পৌর কাউন্সিলর যুবলীগ নেতা দেওয়ান আব্দুর রহিম মুহিন আলাপকালে এ প্রতিনিধিকে বলেন, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, এ স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। এখানে একটি সেতু বা ব্রিজ নির্মাণ করা হলে কমলগঞ্জ পৌরসভার সাথে সদর ইউনিয়নের যোগাযোগের একটি সেতু বন্ধন তৈরি হবে।